নেপালে দশেরা উৎসবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের অংশগ্রহণ

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত দশেরা উৎসব উপলক্ষে দেশটিতে বিদ্যমান ধর্মীয় সম্প্রীতি, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং সহনশীলতার সংস্কৃতির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি নেপালের বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণকে তাদের পরিবার ও সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে আনন্দঘন পরিবেশে এই মহোৎসব উদযাপনের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

রাষ্ট্রদূত স্থানীয় পূজা ও মন্দির কমিটির আমন্ত্রণে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং মন্দির পরিদর্শন করেন। তার এই সৌহার্দ্যপূর্ণ উদ্যোগ নেপালের গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বার্তায় রাষ্ট্রদূত নেপালের বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণকে অত্যন্ত আনন্দ-উৎসাহ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দশেরা উদযাপনের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি উল্লেখ করেন, দশেরা সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতির এক অভিন্ন ঐতিহ্য, যা ইতিহাসজুড়ে এ অঞ্চলের মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস, সংস্কৃতি, আচার-অনুষ্ঠান ও ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভেরিফাইড অ্যাকাউন্টে রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, এই মহোৎসব সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, ঐক্য ও পারস্পরিক একাত্মতার চিরন্তন চেতনাকে সুন্দরভাবে প্রতিফলিত করে।

তিনি এই উৎসবকে মানবজাতির একটি অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবেও অভিহিত করেন, যার মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সহানুভূতির মতো মূল্যবোধ নিহিত রয়েছে এবং যা ধর্মীয় বিশ্বাস ও মতাদর্শের ভিন্নতাকে অতিক্রম করে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই ঐতিহ্যবাহী চেতনা ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণের মধ্যে প্রতিবেশীসুলভ সৌহার্দ্য, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।

রাষ্ট্রদূত কাঠমান্ডুতে স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির আমন্ত্রণে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, স্থানীয় পুরোহিতদের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রদূত গোর্খার মনকামনা মন্দির ও গোর্খা কালী মন্দির পরিদর্শন করেন। যথাক্রমে সপ্তদশ ও ষোড়শ শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত এই দুটি প্রাচীন ধর্মীয় স্থাপনা নেপালের ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের দিক থেকে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

পরিদর্শন কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে কাঠমান্ডুর একটি স্থানীয় মন্দিরে মহানবমী উদযাপন প্রত্যক্ষ করার জন্য রাষ্ট্রদূতকে বিশেষ সম্মান জানানো হয় এবং তিনি উৎসবের বিভিন্ন আয়োজন পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজা কমিটির সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় করেন এবং নেপালের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও ধর্মীয় রীতিনীতি সম্পর্কে গভীরভাবে জানার সুযোগ লাভ করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আইজিপির বক্তব্য আতঙ্কজনক : মামুনুল হক

» ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক বিদ্যুৎবিভ্রাট

» দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত

» ১৭ বছরের অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার মাশুল দিতে হচ্ছে সরকারকে : জ্বালানিমন্ত্রী

» আইনজীবী তালিকাভুক্তির সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণের সিদ্ধান্ত

» ধ্বংসস্তূপ থেকে স্বাস্থ্যখাতের অগ্রযাত্রা শুরু করেছে সরকার: রাষ্ট্রপতি

» সারের দাবিতে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ

» জাপানে জেরা’র এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

» গাজীপুরে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট

» সংগ্রাম ও আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বিএনপির অগ্রবাহিনী হয়েছে যুবদল: ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: dhakacrimenewsbd@gmail.com

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

নেপালে দশেরা উৎসবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের অংশগ্রহণ

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত দশেরা উৎসব উপলক্ষে দেশটিতে বিদ্যমান ধর্মীয় সম্প্রীতি, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং সহনশীলতার সংস্কৃতির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি নেপালের বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণকে তাদের পরিবার ও সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে আনন্দঘন পরিবেশে এই মহোৎসব উদযাপনের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

রাষ্ট্রদূত স্থানীয় পূজা ও মন্দির কমিটির আমন্ত্রণে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং মন্দির পরিদর্শন করেন। তার এই সৌহার্দ্যপূর্ণ উদ্যোগ নেপালের গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বার্তায় রাষ্ট্রদূত নেপালের বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণকে অত্যন্ত আনন্দ-উৎসাহ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দশেরা উদযাপনের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি উল্লেখ করেন, দশেরা সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতির এক অভিন্ন ঐতিহ্য, যা ইতিহাসজুড়ে এ অঞ্চলের মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস, সংস্কৃতি, আচার-অনুষ্ঠান ও ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভেরিফাইড অ্যাকাউন্টে রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, এই মহোৎসব সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, ঐক্য ও পারস্পরিক একাত্মতার চিরন্তন চেতনাকে সুন্দরভাবে প্রতিফলিত করে।

তিনি এই উৎসবকে মানবজাতির একটি অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবেও অভিহিত করেন, যার মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সহানুভূতির মতো মূল্যবোধ নিহিত রয়েছে এবং যা ধর্মীয় বিশ্বাস ও মতাদর্শের ভিন্নতাকে অতিক্রম করে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই ঐতিহ্যবাহী চেতনা ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণের মধ্যে প্রতিবেশীসুলভ সৌহার্দ্য, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।

রাষ্ট্রদূত কাঠমান্ডুতে স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির আমন্ত্রণে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, স্থানীয় পুরোহিতদের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রদূত গোর্খার মনকামনা মন্দির ও গোর্খা কালী মন্দির পরিদর্শন করেন। যথাক্রমে সপ্তদশ ও ষোড়শ শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত এই দুটি প্রাচীন ধর্মীয় স্থাপনা নেপালের ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের দিক থেকে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

পরিদর্শন কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে কাঠমান্ডুর একটি স্থানীয় মন্দিরে মহানবমী উদযাপন প্রত্যক্ষ করার জন্য রাষ্ট্রদূতকে বিশেষ সম্মান জানানো হয় এবং তিনি উৎসবের বিভিন্ন আয়োজন পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজা কমিটির সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় করেন এবং নেপালের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও ধর্মীয় রীতিনীতি সম্পর্কে গভীরভাবে জানার সুযোগ লাভ করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: dhakacrimenewsbd@gmail.com

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com